কোলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে আযোজিত হলো শহরের সবথেকে বড় লেদার পন্যের ফ্যাশন শো আযোজক ইন্ডিয়ান লেদার প্রোডাক্ট এ্যাসোশিয়েসন। 


         এই ফ্যাশন শো তে ন্যাশানাল লেবেলের মডেলরা Ayesha,Madhura,Titli,lulia,Akins,Dilyana,klaudia,Kristina এবং Runa Laha উল্লেখযোগ্য। নামিদামি চিত্রতারকা ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের মধ্যে Gargi RoyChoudhury, Zenia, Anindita,Moubani,Elena Kazan, অর্জুন এবং lopamandal Saha শো স্টপার হয়ে মডেল ও ডিজাইনদের সংঙ্গে র‍্যাম্পে হাটেন লেদারের প্রোডাক্ট নিয়ে। 


 মডেলরা সকলেই খুব নজর কেড়ে নিয়েছিলেন অতনু ঘোষের আউটফিট ডিজাইনের পোষাক পড়ে। নামি ব্র্যান্ড Rene,Indstyle,Hunt, Sri Exports প্রভৃতি কোম্পানির প্রোডাক্টের মধ্যে লেডিজ ব্যাগ, হাতব্যাগ, ছেলেদের ব্যাগ,ব্রিফকেস, ইত্যাদি দ্রব্য নিয়ে নামি মডেলরা এবং চলচিত্র অভিনেত্রীরা র‍্যাম্পে হাটেন ও সুন্দর ভাবে প্রদর্শন করেন।



IPLA তার ২৭ বছরের ইতিহাসে ইস্টান জোন এ সবচেয়ে বড় লেদার প্রোডাক্ট এর ফ্যাশন শো করে দেখিয়ে দিল যে বাঙ্গলায় লেদার প্রোডাক্ট আজ ইন্টারন্যাশানাল মার্কেটে পা ফেলেছে আর ভবিষ্যতে আরোও বড়োভাবে এর ধারা বজায় রাখবে বললেন এই ফ্যাশন শোর উদোক্তারা।

লোপামুদ্রা মন্ডল ডিজাইন জগতে অতি পরিচত নাম । গত ২৯- ৩০ শে আগষ্ট ডিজাইনার লোপামুদ্রা মন্ডল  দ্বারা পরিচালিত এক সুন্দর প্রদর্শনির হয়ে গেল পার্ক হোটেল এ।  " Make A Wish Foundation" চ্যারিটির অর্থ সাহায্যে দুর্গা পুজোর ঠিক আগে আগেই হয়ে গেল এই প্রদর্শনি। এখানে আগতরা সবাই ইন্ডিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে তাদের ডিজাইনের ডালি নিয়ে উপস্হিত হয়েছিলেন পুজোর আগে সবাইকে নতুন কিছু উপহার দেবেন এবং নিজেদের শিল্পকলা কোলকাতার মানুষদের কাছে তুলে ধরবেন বলে।

এদের মধ্যে কিছু জনের তো নাম না বললে চলে না যেমন   Rhyea দিল্লীর ADOR, Debarun, Sharmis, Fooba মুম্বাই থেকে,ফেলুর এর ডিজাইন Riddhima Chawla, ফুলিয়ার তাঁতের শাড়ি, স্টুডিও আই - লোপামুদ্রা মন্ডল সাহার এবং আরো অনেকের ডিজাইন চোখে পড়ার মতো।




এই প্রদর্শনির কর্মকতা লোপামুদ্রা দিদি একটি নতুন বুটিক সৃজনির কথা প্রসঙ্গে বললেন এখানে আমি সব নতুন ও পি পুজা ও আগত দিয়ালির কথা ভেবে সব বেছে বেছে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে খুঁজে খুঁজে সর্বশ্রেষ্ঠ জিনিসের ফ্রেস কালেকশন নিয়ে পুজোর আগে উৎসবের আমেজ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছি।







 

                                                                    প্রদর্শনি শুরু হতে না হতেই বহু মানুষের ভিড়ে জমজমাট একেবারে তার মধ্যে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের আনাগোনা প্রদর্শনি কে এক অন্য মাত্রা জুড়ে দিয়েছিল। এর মধ্যেই সিনেমা জগতের তারকারাও উপস্হিত ছিলেন এই কেনাকাটা করার জন্য। রিতুপর্না সেনগুপ্ত এবং পল্লবী চ্যাটার্জী এসেছিলেন তাদের নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিস কেনাকাটা করতে ও নতুন জিনিসের রস আস্বাদন করতে। কোলকাতার মানুষ পুজোর আগে এই রকম একটা সুযোগ পেয়ে কেনাকাটি করতে সময় নষ্ট করেনি কারুন একজায়গায় সব মনের পছন্দের জিনিস আর সাধ্যের মধ্যেই যে।






ফ্যাশন দুনিয়ায নতুন ৬ টি ফ্রেশ মডেল ও ১ জন ফ্রেশ ফটোগ্রাফার কে FFACE কলকাতার পার্ক হোটেলে এক সুন্দর অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েFFACEক্যালেন্ডার প্রকাশ করলো রবিবার ৪ মে,২০১৪।FFACEউদেশ্য প্রতিভাময় মডেল ও এই পেশায় জড়িতদের মধ্যে এক নতুন আলোযন সৃষ্টি করা। প্রত্যেক বছর নতুন ও নামকরা মডেল ও অভিনয় জগতের মধ্যে একটি মেলবন্ধন সৃষ্টি করা। এর প্রতিষ্ঠাতা নীল রায় এর চোখে অনেক স্বপ্ন এই নিয়ে। সেই স্বপ্ন পুরনোর জন্য পার্ক হোটেলে হাজির হযেছিলেন অনেক নামী তারকা এবং চিত্র অভিনেত্রী এছাড়া কোলকাতা ও দেশে বিদেশের প্রচুর নামকরা ফটোগ্রাফার ও সাংবাদিক। সবার হাতে FFACE ক্যালেন্ডার তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হলো ২০১৪ FFACEক্যালেন্ডার।এতে উপস্থিত ছিলেন Mimi Chakraborty, Sampurna Lahiri, Gaurav Chakraborty, Indrasish Roy, Raj Chakraborty, Chima Okorie, Abhishek Dutta, Jaya Misra, Neeraj Surana, Jessica Gomes



আমাদের ভালোলাগা ভালোবাসার শহর কোলকাতা কালের পরিবর্তনে নারীদের পোষাকের বিপ্লব এসেছে । নতুন নতুন পোষাকের ডিজাইনের খোঁজে সারাবছর ই সবাই এ বাজার ও বাজার শপিং মলে ঢুঁ মারে । ঈদ  ও পুজো এলেই তরুণী ও নারীরা নতুন ডিজাইনে সারা বাজার ঘুরে ফেলে। সবচেয়ে আনকমন ও নতুনত্ব ধরনের পোষাক তার চাই ই চাই।




      এই রকমই আমরা সম্পুন্ন নতুন ধরনের ডিজাইনার Lopamudra Mondal SahaStudio Eye তে উপস্থিত হয়েছিলাম ওনার ঢাকাই শাড়ী থেকে সালোয়ার সুটের ডিজাইন সম্ভার দেখতে।



  বুটিক শিল্পকে কেন্দ্র করে এক দশকে কোলকাতা তে কয়েক শতাধিক ডিজাইনারের সঙ্গে সহস্রাধিক বুনন শিল্পীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন উৎসবকে সামনে রেখে পোশাকের বাজারে টিকে থাকার জন্য ব্যবসায়ীরা অনুসরণ করছেন ভিন্ন ডিজাইন, ভালোমানের কাপড় ও দক্ষ বুনন শিল্পীর। তাই পোশাককে কেন্দ্র করে দিন দিন সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন ডিজাইনারের, জন্ম হচ্ছে নতুন নতুন বুনন শিল্পীর, সুযোগ বাড়ছে কর্মসংস্থানের।  



 

লোপামুদ্রা দেবী জানান ছোটবেলা থেকে এই ফ্যাশন ডিজাইনের উপর একটা আলাদা টান ছিলো। " সে সময় থেকে নিজেই কাগজে ছবি অাঁকতাম, নকশা করতাম।ছোটবেলা থেকেই আমার সমস্ত পোশাক এর ডিজাইন কেমন হবে দর্জির কাছে গিয়ে নতুন স্টাইলে সমস্ত জামাকাপড় বানাতাম, আর আমার বন্ধুরাও জিগেস করতো য়ে আমি কোন দর্জির কাছে গিযে এইরকম সুন্দর নতুন ধরনের পোষাক বানিয়েছি।ভবানিপুর এডুকেশন সোসাইটি থেকে ফ্যাশন কোর্স করে একটি বড়ো মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানির প্রোডাক্টসান ইউনিট তে ৩ বছর কাজ করার পর এই স্টুডিও আই খুলেছি।"

 

 

 দেশীয় আমেজের সঙ্গে বাইরের ডিজাইনকে সঙ্গে রেখে তিনি তৈরি করছেন মেয়েদের পোশাক।তার ডিজাইন করা শাড়ির দাম ২ হাজার ৫৫০ থেকে ৫,০০০ এর মধ্যে বেশ ভালো ভালো কালেকশান আছে। 

 

   

টলিউড ইন্ডাস্টির বেসির ভাগ অভিনেত্রীরা Swastika,Parno Mitra,Sayani,koneenica,Richa Sharma(Mrs. India International),Locket Chatterjee, Payel Sarkar এককথায় এই স্টুডিও আই অর্থাৎ লোপাদেবীর শাড়ীর গনমুদ্ধ ভক্ত । রেডিমেড শালোয়ার কামিজ ও সবার নাগালের মধ্যেই ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মাত্র।

 

 

উনি এও আমাদের বলেন খুব শীগ্রি আগামী কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন জেলায় তার প্রতিষ্ঠানের শো-রুম থাকবে।

 


  তিনি বলেন বর্তমানে মেয়েরা অনেকে এগিয়ে আসছে, এটা খুব ভালো দিক, ভবিষ্যতে মেয়েরা আরো এগিয়ে আসবে এটা প্রত্যাশা করা য়ায। নতুনরা তার কাছে সবসময়ের জন্য সাগত ।

 


   

উৎসব ও ঋতুকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক তৈরি করে থাকে বলেই ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। তবে  কাপড়ে জরি, সুতা, পুথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার কামিজের চাহিদাও রয়েছে বেশ।


STUDIO EYE
203, Sarat Bose road, beside Marco Polo restaurant & Canara Bank.

উৎসব ও ঋতুকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক তৈরি করে থাকে বলেই ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। তবে ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার কামিজের চাহিদাও রয়েছে বেশ - See more at: http://manobkantha.com/2013/07/27/131973.html#sthash.FsoZ5jRc.dpuf

উৎসব ও ঋতুকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক তৈরি করে থাকে বলেই ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। তবে ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার কামিজের চাহিদাও রয়েছে বেশ - See more at: http://manobkantha.com/2013/07/27/131973.html#sthash.FsoZ5jRc.dpuf


উৎসব ও ঋতুকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক তৈরি করে থাকে বলেই ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। তবে ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার কামিজের চাহিদাও রয়েছে বেশ - See more at: http://manobkantha.com/2013/07/27/131973.html#sthash.FsoZ5jRc.dpuf

উৎসব ও ঋতুকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক তৈরি করে থাকে বলেই ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। তবে ভারতীয় কাপড়ে জরি, সুতা, পুথি, চুমকি, কুন্দন ইত্যাদি দিয়ে নকশা করা সালোয়ার কামিজের চাহিদাও রয়েছে বেশ - See more at: http://manobkantha.com/2013/07/27/131973.html#sthash.FsoZ5jRc.dpuf

‘তাঁতের শাড়িতে রঙ সব সময় এগিয়ে। মৌসুমের ভাবনা থেকেই পোশাকে বর্ষার মনোহর সব রং প্রাধান্য পাবে। সেক্ষেত্রে ম্যাজেন্টা, প্যারোট গ্রিন, ব্লু, ওশান ব্লু, পার্পেলের ব্যবহার বেশি চোখে পড়বে। এছাড়া অন্যান্য রং তো থাকছেই। - See more at: http://manobkantha.com/2013/07/27/131973.html#sthash.FsoZ5jRc.dpuf


বিশ্ববিখ্যাত জাদুকর P.C. Sorcar Jr.র কন্যা Mumtaz SorcarMayuri Bhattacharya ২০১৪ এর প্রথমে FIGHT BACK বলে একটা প্রজেক্ট শুরু করে । সেটার উদেশ্য ছিল মেয়েদের শারীরিক লাঞ্ছনা থেকে রক্ষা করার উপায় এবং মানসিক শক্তির বিকাশ সাধন করা । আমরা সেই সময় এই দুজন মেয়ের দেশের প্রতি নিজেদের এক দায়বদ্ধতার কথা শুনেছিলাম। Mumtaz মেয়েদের মার্শাল আর্ট শিখিয়ে নিজেদের রক্ষা করা এবং নিয়মিত কাউন্সেলিং করে তাদের মানসিক শক্তির বিকাশ ঘটাচ্ছে। যাতে তারা নিজেদের রোজকার জীবনে সেটা নিজের বাড়ি বা কাজের ক্ষেত্র যেখানেই  হোক না কেনো নারী শক্তির বিকাশ ঘটায়।







 গতাকাল Mumtaz এবং Mayuri  FIGHT BACK বলে একটা ক্যালেন্ডার প্রকাশ করলো । এই সমাজের সংঙ্গে যুদ্ধ করে যেসব পিছিয়ে পড়া দুর্বল নারীরা  জয়ী হয়েছে তাদের ছবি দিয়ে FIGHT BACK ক্যালেন্ডারটি সাজানো হয়েছে । এই ক্যালেন্ডার প্রকাশ উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন একঝাক তারকারা ..Jojo, Sarbari Datta, Jaya Seal Ghosh, Lopamudra Mandal Saha, Saira Shah Halim, Sujoy Prasad Chatterjee, Joy Sarkar, Arijit Dutta এবং  Paroma Bannerjee.
                        জয়া মিশ্রর পোষাকের প্রদর্শনী এবং ফ্যাশন শো কোলকাতায় হয়ে গেল  । 


                       

    

 ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজির টপার জয়া মিশ্র `সেভেনটিন্থ লায়ন গোল্ড অ্যাওয়ার্ডে` জিতে নেন বেস্ট আপকামিং ডিজাইনারের তকমা। সেখান থেকেই শুরু উত্থান। পরের বছরই জয়া মিশ্রভাগ্যে জুটে যায় বেস্ট ন্যাশনাল ডিজাইনারের লায়ন গোল্ড অ্যাওয়ার্ড। লাভ, লাইফ অ্যান্ড লাক্সারি...তিনটে `এল`-এর সেলিব্রেশনকে থিম করেই ২০০৫ সালে নিয়ে আসেন নিজের ব্র্যান্ড `লাস্ট্রাস`। পিস অ্যান্ড ফ্রিডম ২০০৮, স্প্রিং অ্যান্ড সামার কালেকশন কালেকশন ২০০৮, অটম ফল কালেকশন ২০০৯, ডি` ইভ ২০০৯, সিজনস ফর ইউ, নওয়াজ ফর মেন দুর্দান্ত সব কালেকশনে সেজে  ওঠে  তাঁর ডিজাইনার র‍্যাক। 





 
লন্ডন ফ্যাশন উইক, দুবাই ফ্যাশন উইক, হংকং ফ্যাশন উইক ২০১২, বস্টন ফ্যাশন উইক, ফিলাডেলফিয়া ফ্যাশন উইক, ব্রুকলিন ফ্যাশন উইকের মত বিদেশের র‍্যাম্পের পাশাপাশি দেশের মাটিতেও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিয়েছেন জয়া। 








অ্যাম্বে ভ্যালি ইন্ডিয়া ব্রাইডাল উইক, কলকাতায় অডি গ্রুপের ফ্যাশন শো, মুম্বইয়ে সুরিয়া গোল্ড অ্যান্ড সোয়ারভস্কি শোতেও সমান দক্ষতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। ২০০৯ সালে খোদ কলকাতার বুকেই লঞ্চ করেন নিজের পিস কালেকশন। ফেমিনা মিস ইন্ডিয়ার অফিশিয়াল ডিজাইনারও ছিলেন  তিনি। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, জয়পুর, আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদের পাশাপাশি টরোন্টো ও দুবাইতেও শোরুম রয়েছে জয়ার। Club Ecovista দ্বারা  পরিচালিত  The fashionista এ ডিজাইনার জয়া মিশ্র বিবাহের প্রথাগত পোষাকে আনলেন ফ্যাশনের ছোঁয়া। তাল মিলিয়ে সেটিং ও জমকালো। র‍্যাম্পের একঘেঁয়েমির থেকে বেশ আলাদা।  কোলকাতার ফ্যাশন ডিজাইনের ইতিহাসে একটা উল্লেখযোগ্য নাম জয়া মিশ্র। উনি শুধু কোলকাতায় নয় বিশ্বের ফ্যাশন ডিজাইনের ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য নজির সৃষ্টি করেছেন।  ফ্যাশন শো টি খুব সুন্দরভাবে পরিচালিত এবং খুব সুন্দর ভাবে সাজানো দেখা গেল। জয়া মিশ্রের মডেল রা খুব সুন্দর ভাবে মিউজিকের তালে তালে পোশাকগুলো পড়ে  র‍্যাম্পে হাটলেন। অসম্ভব সুন্দর পোশাকের কাজগুলো...উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার লোপামুদ্রা, ইন্দ্রনিল মুখার্জী এবং অভিনেত্রী ঋতুপর্না এবং Corporate World এর প্রতিনিধিগন  এছাড়া আর ও অনেক নামী চিত্র তারকারা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান টিকে সাফল্যমন্ডিত করেন  । 



" জয়ার কালেকশন গুলো খুব ভালো ছিল একজন ডিজাইনার হিসাবে আমি সবসময় এই ধরনের উদ্যোগ কে সাপোর্ট করি। আমার আগামী ১ লা বৈশাখের শুভেচ্ছা রইল জয়া এবং ওর সহযোগিদের জন্য এরকম একটা অনুষ্ঠান করার জন্য। নতুন ডিজাইনার দের জন্য একটাই বার্তা আরো সুন্দর সুন্দর ডিজাইন উপহার দাও আমাদের কোলকাতা শহর কে। " - ফ্যাশন ডিজাইনার লোপামুদ্রা


" ওনার ক্রিয়েশন দেখে খুব ভালো লেগেছে । সাদা শাড়ীর উপর কাজ গুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে ও নীল রংঙ্গের উপর নানারকম সেড আমার চোখ টেনেছে আর ঋতুপর্ণা বধুর সাজের পোষাক টির অসাধারন কালার কম্বিনেশন আমাকে মোহিত করেছে ।"- ফ্যাশন ডিজাইনার ইন্দ্রনিল

একটি ভালোবাসার বা বন্ধুতের শেষ ঠিকানা।

হ্যাঁ ! সত্যিকারের ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব পেতে হলে আমরা হাতের কাছে পাবো "উল্লাস" কে।
আপাততঃ উল্লাসকে আমরা কাছে পেতে পারি আমাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে।


আগামী দিনে বন্ধুদের কাছে আরো কিছু নতুন উপহার আনবে বলে কথা দিয়েছেন সংস্থার উওর কোলকাতার বন্ধু শ্রীমতী তৃষা .........
ফেসবুক লিঙ্কঃ- https://www.facebook.com/ullashnews
                                                         Kolkata, 22nd March, 2014:   তাজবেঙ্গলে চার বন্ধু প্রীতি,সালোনি, স্নেহা ও শিল্পি মিলে আয়োজন করেছিল FIREFLIES 2014  এক ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল এর সম্ভার। FIREFLIES 2014 এ প্রতিষ্ঠিত ও নতুন প্রতিভাময় কিছু তরুন ও তরুনী অংশগ্রহন করেছিলেন। সব ধরনের পণ্য এখানে প্রদশনী এবং বিক্রির জন্য খুব সুন্দর ভাবে স্টলগুলি সাজানো ছিল। জুয়েলারী,ক্লথ থেকে শুরু করে পায়ের পরার সামগ্রী এবং ঘর সাজাবার জিনিস পর্যন্ত এখানে পাওয়া গেল। 
          
 আর সত্যি কথা বলতে FIREFLIES 2014 কে বার্ষিক প্রদর্শনী বলে এটা মনে হওয়ার থেকে এটা নতুন ও পুরনো প্রতিভাদের একসংঙ্গে মিলনক্ষেত্র মনে হলো, যেখানে সবাই সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল দুনিয়ায। সবরকমের মানুষের জন্য ক্লাসি,চিক্,গ্ল্যামারস্,সোবার ও ট্যাডিশানাল পোষাক এবং ঘর সাজানোর উপকরন দিয়ে সেজে উঠেছিল এই প্রদশনী। সারা দেশ থেকে বিভিন্ন নামি ও অনামি মানুষ এই প্রদশনীতে তাদের পসার সাজিয়ে আলোকিত করেছিলেন |বাচ্চাদের জন্য স্পেশাল স্টলের ব্যবস্থাও ছিল।পুরুষ এবং মহিলাদের বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী ব্যান্ডের প্রডাক্ট ও এখানে প্রদর্শিত হয়। FIREFLIES সবসময় কিছু ভালো এবং নতুন চিন্তাধারার পরিচয় দেয় তাদের কাজের মধ্যে দিয়ে। এবারেও তারা দুটি NGO AarhamKarmyog কে তাদের কথা এবং পথচলা সাধারন দর্শকের কাছে তুলে ধরার সুযোগ দিয়ে এক অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে।

               এই প্রদর্শনী বিষয়ে বলতে গিয়ে FIREFLIES টিম আমাদের বলল্: ''We have roped in a lot of fresh and promising talent for the show this time. Since we always ensure that our upcoming shows are better than the previous ones, visitors can be assured of a fresh range of lifestyle products and home decor items. We have something for everybody and don't want anyone to go back empty handed. This time, we are going that extra mile to ensure that everybody who visit the exhibition goes back with a bag of purchases in hand".

 বিখ্যাত ডিজাইনার যাদের পসরা আলোকিত করেছিল- JattinnKochhar, AbhishekDutta, Lopamudra Mandal Saha, Ashfaq Ahmad, Agnimitra Paul, Swati Vijayvargie Jain, Neha Panda এবং আরো অনেকে.....



 
Hena Nafis কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিশু স্থূলতা ও বাচ্চাদের খাবার নিয়ে, Arti Sultania শিশুদের জন্য খুব সুন্দর কিছু উপকরনের পসরা সাজিয়েছিলেন এবং Abhishek Dutta বাচ্চাদের জন্য নতুন ধরনের পোশাকের শোকেস দিয়েছিলেন-Lopamudra Mandal Saha and her Studio Eye showcased জুয়েলারির অনেক ধরনের শোকেস দিয়েছিলেন..এছাড়া অনান্য স্টল ও ছিল যেখানে ঘর ও আসবার স্থলি দ্রব্য ,ইমিটেশন জুয়েলারী,শুস ও প্রদর্শিত হচ্ছিল ।


  





   নীল রায় এবং তার ফেম ফ্যাশন এবং ক্রিয়েটিভ এক্সেলেন্স ( FFACE ) নতুন প্রতিভাদের সুযোগ ও তাদের ক্যারিয়ার  গড়তে সহযোগিতা করার জন্য একটি সম্পুর্ন ভিন্ন ধরনের ডিজাইন এর ফ্যাশন ক্যালেন্ডার প্রকাশ করতে চলেছে। 


 FFACE আসলে চাইছে খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী মডেল, ফটোগ্রাফার, ডিজাইনার এবং মেকআপ শিল্পীদের জন্য একটা এমন মঞ্চ যেখানে সবাই অন্য প্র্তিস্থিত মানুষের সংঙ্গে এগিয়ে চলবে সঠিক দিশায়।



   



    ডাইরেক্টর রাজ চক্রবর্তী,ফ্যাশন ডিজাইনার অভিশেক দত্ত এবং ফ্যাশন ফটোগ্রাফার কৌস্তব সাইকিয়া এর গভর্নিং বডির মধ্যে থেকে গোটা টিম টাকে অনুপ্রারিত করবেন । 


 প্রত্যেক বছর দুই থেকে তিন জন নামকরা মানুষ চলচিত্র ও ফ্যাশন জগৎ থেকে নিযে এবং ইন্ডাস্টি তে আগত নতুন মুখ নিয়ে একসঙ্গে ক্যালেন্ডার করা হবে প্রত্যেক বছর। এই ক্যালেন্ডার গুলো মুম্বাই এবং কোলকাতার সমস্ত প্র্তিস্থিত চলচিত্র , ফ্যাশন এবং মিডিয়া গুলিকে বিতরন করা হবে ৫০০ কপি| FFACE এই জন্য মুম্বাই একটি সংস্থার সংঙ্গে চুক্তি করেছে।


"FFACE" আমার নিজের সন্তানের মতো । আমি নিশ্চিত যে এটা ভবিষ্যতে একটা বড়ো ব্যান্ড হিসাবে পরিচিতি লাভ করবে আর এর সঙ্গে থাকতে পেরে সবাই গর্বিতবোধ করবে ।আমি আন্তরিকভাবে আশাবাদী যে আমি নতুন প্রতিভাবানদের একটা জায়গা করে দিতে পারবো যাতে তারা গ্ল্যামার দুনিয়ায অংশ হতে পারে । আমি এই ইন্ডাস্টির  সেই সব বন্ধুদের কাছে প্রতি কৃতঙ্গ  যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে এবং নিজেরাও এতে অংশগ্রহন করেছে ।- নীল রায় ( FFACE -চিন্তাধারা ও পরিকল্পনার পেছনে)


এমন একটা মঞ্চ যেখানে আমি আমার দক্ষ্যতা ও সংযোগ ব্যাবহার করে নবাগতদের তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারি । - লোপামুদ্রা মন্ডল সাহা ( Owner of Studio Eye )

FFACE কে গহনা ও আনুষাঙ্গিক দিয়ে ও সহযোগিতা করেছেন - লোপা

আমি  নীল থেকে যখন এইরকম একটা কাজের কথা শুনেছি তখন থেকেই খুবই আগ্রহী ছিলাম। এটা সম্পুন্য অন্যরকম একটা অনুভুতির মধ্যে দিয়ে কাজগুলো হলো । সবাই এখানে বন্ধুর মতো মিশে কাজে অনুপ্রেরনা দিযে নতুন এবং পুরনো মিলে মিশে ক্যালেন্ডারের কাজ তা সম্পুন্য করলো, কিন্তু সারাদিন ১২ জন মডেল ও ৫ জন ফটোগ্রাফার ২ জন মেকাপ ম্যান ৩ জন সহকারি সহ গল্পে আড্ডায় কি করে দিন কেটে গেলো সেটা বুঝতেই পারলাম না। আমি এর একজন অংশীদার হয়ে খুবই গর্বিত অনুভব করছি। এই পরিবেশে সবাই তাদের সেরা শট দিয়েছে । এটাই একমাত্র মঞ্চ যেখানে সবার স্বপ্ন পুরন হবে... রিধিমা ঘোষ ( অভিনেত্রী )

 

 

আমি প্রথমে এই FFACE নীল,লোপা ও ইন্দ্রনীল এর মুখ থেকে শুনি। এই অফার টা আমার কাছে খুবই আকর্ষণীয় ছিল ও সংঙ্গে সংঙ্গে আমি সম্মতি জানাই । নীল এবং আমি সমগ্র কাজটা বসে আলোচনা করি, সবাই পরিচিতদের সংঙ্গে কাজ করতে চায় কিন্তু নতুনদের সংঙ্গে কেউ সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে না। আমি কাজ ভালোবাসি এবং এদের চিন্তাধারা আমার ভালো লেগেছে। আমি  FFACE edition 1 এর অংশীদার হয়ে গেছি । ---সায়নী দত্ত ( অভিনেত্রী )


  FFACE একটা দারুন পরিকল্পনা যেটা টে আমরা নবাগতদের স্বপ্ন পুরন করতে পারছি। সবাই এই সুযোগ বা জায়গা পাই না তাই ভালো প্রতিভা থাকলেও বার বার ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে য়ায । - ইন্দ্রলীন মুখার্জী  

FFACE ক্যালেন্ডারের ঋতু অনুযায়ী পোশাক দিয়ে সহযোগীতা করেছেন - ইন্দ্রলীন



  

Total de visualizações de página

SEarch